ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে আবারো বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিল ফিফা। বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোসহ বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ কর্মকর্তারা বসেছিলেন বৈঠকে।
বৈঠকের অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল-এর প্রস্তাব—২০৩০ বিশ্বকাপে দল সংখ্যা ৬৪-এ বাড়ানো। তবে এ বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
আগামী ২০৩০ সালের আসর হবে বিশেষ ঐতিহাসিক। কারণ প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল উরুগুয়েতে, ১৯৩০ সালে। শতবর্ষ উপলক্ষে আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়ে আয়োজন করবে তিনটি ম্যাচ। মূল আসর হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে।
এর আগেই সামনে আসছে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ, যা প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের হবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করবে এ টুর্নামেন্ট। দল সংখ্যা বাড়ায় মান বজায় রাখা, ভেন্যু প্রস্তুতি ও লজিস্টিকস নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
এদিকে কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল, উয়েফা হয়তো ভোট দিয়ে ইসরায়েলকে বহিষ্কার করতে পারে। তবে উয়েফার পক্ষ থেকে তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফিফার ভাইস-প্রেসিডেন্ট ভিক্টর মন্টাগলিয়ানি জানিয়েছেন—এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার কেবল উয়েফার, ফিফার নয়।
ফুটবল ভক্তদের জন্য দল সংখ্যা বাড়া মানেই নতুন আশা। ৬৪ দলের বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে অপেক্ষাকৃত ছোট ফুটবল দেশগুলোর জন্য। বর্তমানে ফিফা র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও, সামনে যদি দল সংখ্যা বাড়ে তবে দক্ষিণ এশিয়ার দলগুলোও একদিন হয়তো বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা দিতে পারে।